টিকটক হাতিয়ে নিচ্ছে সকল তথ্য

 

টিকটক হাতিয়ে নিচ্ছে সকল তথ্য;

সম্প্রতি টিকটক এপ একটি প্রলোভন দেখিয়ে লুফে নিচ্ছে মোবাইল ফোনে থাকা সকল তথ্য।বিশেষজ্ঞদের মতে,এর মাধ্যমে মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।


২০২১ সালে বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্বে একটি রব উঠে যে,টিকটক এবং লাইকি এই যাবতীয় এপ এর কারণে বর্তমান প্রজন্ম ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে।ফলে এসব এপ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণাও আসে।বিশেষ করে বাংলাদেশে এই এপটি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।অনেকে এই এপ্স সমূহের কূফল সম্পর্কে জানতে পেরে আনইন্সটল করে দিয়েছে।


টিকটক বা লাইকি আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষের ব্রেইনে চলে না।তারা জানে কিভাবে বাংলাদেশে এই এপ্সকে টিকিয়ে রাখতে হবে।তারা এটাও জানে যে বাঙ্গালী টাকার কাছে নিজেকে বিক্রি করতেও দ্বিধা করেনা।তাই তারা এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার মানুষের মোবাইলে এপ্সটি সিস্টেমে ইন্সটল করিয়ে নিচ্ছে।

টিকটক কর্তৃপক্ষ এমন একটি লোভনীয় অফার দিয়েছে যাতে মানুষ সহজেই এর ফাদে পড়ে।তারা প্রতি রেফারকারীকে ২৪০/- করে দিচ্ছে।অর্থাৎ কেও যদি তার রেফার কোড দিয়ে অন্যজনের ফোনে টিকটক এপটি রেফার করায় তবে সে ২৪০/- পাবে।আর এই এপ এ রেজিষ্ট্রেশন করতে প্রয়োজন হয় অরিজিনাল ইমেইল/জিমেইল একাউন্ট।ফলে যেই রেজিষ্ট্রেশন করুক না কেন,তার সকল তথ্য টিকটক কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যায়।

সম্প্র ঢাকা প্রেস বিজ্ঞপ্তি বলা হয় যে,কেও যদি এই প্রতারণা চক্রের মাধ্যমে কোনভাবে প্রতারিত হয় তবে বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট অথোরিটি কোনভাবেই হেল্প করবেনা।এবং জোরালোভাবে নিষেধ করা হয়েছে যেন কেও এই প্রলোভনে পড়ে এপটি ইন্সটল না করে।

আপনি যে বিকাশ নাম্বারের মাধ্যমে কিংবা যে ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে টিকটক এপের অর্জিত টাকা উত্তোলন করবেন,ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে আপনার সেই একাউন্ট। সাইবার-৭১ বলেছে যে,আপাতত টিকটক কারো কাছে তাদের এই চিন্তাটা প্রকাশ করবেনা।ফলে সবাই এটা ইন্সটল করবে,এবং সর্বোচ্চ বিশ্বাস করবে।কিন্তু নির্দিষ্ট একটা সময় পর তারা সেই ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ একাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিবে।তাই সকলকে অনুরোধ করা হলো যেন কেও এই ইপ্সটি  ইন্সটল না করে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

করোনা পরিস্থিতি অবনতির জন্য বিশ্ব রাজনীতিকে ধুয়ে দিপেন হুর প্রেসিডেন্ট।

কিভাবে স্বপ্ন দেখলে সফল হওয়া যায়?